About us
10/20/2020 2022-03-12 0:41About us
মারকায পরিচিতি
মারকাযুল উলূম আশ-শারইয়্যাহ ওয়া তারবিয়াতিল মুসলিমীন। ইলমে দ্বীনের চর্চা, প্রসার ও সালাফে সালেহীন এর মীরাস হেফাজত করার সংকল্প নিয়ে নির্মিত একটি প্রতিষ্ঠান। সালাফের রুচি ও মেজাজ এবং তরীকা ও মানহাজ আমাদের পথ ও পাথেয়।
এতদাঞ্চলের মাদ্রাসাগুলো দ্বীন ও দ্বীনি ইলম রক্ষার কেন্দ্র। সাধ্যানুযায়ী জামি’আ, মাদরাসাহ বা মারকাজগুলো, যতটা পারছে দ্বীনের খেদমতে নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দিচ্ছে। স্পেন, তুরস্ক, ‘মা ওরাউন নাহর’ অর্থাৎ ইমাম বুখারীর বোখারা, সমরকন্দ ইত্যাদি অঞ্চলে মুসলিম শাসক ও ইসলামী শাসনব্যবস্থা হারানোর পর দ্বীন চর্চা প্রায় বিলীন হয়ে যায়। মুসলিমরা ভুলে যেতে থেকে তাদের মুসলিম পরিচয়বোধ। বর্তমানে কোন কোন অঞ্চলে দুয়েকটা ইমারত আর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ছাড়া মুসলিম পরিচায়ক আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ভারত উপমহাদেশের (ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ) মুসলিমরা নিজস্ব মুসলিম শাসন হারানোর আড়াইশ বছর পেরিয়ে গেলেও, এই অঞ্চল মুসলিম ও দ্বীন শূন্য হয়ে যায়নি। দীর্ঘ দু’শ বছর ইংরেজরা শাসন ও শোষণ করা সত্ত্বেও এই অঞ্চলে ইসলামের প্রদীপ নেভানো সম্ভব হয়নি। বরং দিনেদিনে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানকার মানুষের মধ্যে ইসলামী চেতনা ও মুসলিম পরিচয়বোধ জাগ্রত রাখা, ইসলাম চর্চাকে ছড়িয়ে দেয়ার পিছনে কওমী মাদ্রাসাগুলোর ব্যাপক ও সুগভীর ভূমিকা আছে।
এই ঐতিহ্যবাহী ধারায় ১৪৩৯ হিজরীতে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মারকাযুল উলূম আশ-শারইয়্যাহ ওয়া তারবিয়াতিল মুসলিমীন’। মারকায অর্থ কেন্দ্র৷ মারকাযুল উলূম আশ-শারইয়্যাহ এর অর্থ দাঁড়ায়, দ্বীনী ইলমের কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটির নামের দ্বিতীয়াংশ ‘তারবিয়াতিল মুসলিমীন’ অর্থ তামাম দুনিয়ার সর্বস্তরের মুসলিমদের দ্বীনী পরিচর্যা৷ মারকাযের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম এই নামের মধ্যেই অনেকখানি ফুটে উঠেছে।
মারকাযের পরিচালনা
৫ জন বিশিষ্ট আলিমে দ্বীনের সমন্বয়ে গঠিত মজলিসে শূরার তত্ত্বাবধায়নে মারকাযের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। মজলিসে শূরার সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে – হযরতুল আল্লাম মাও. হিফযুর রহমান সাহেব দা. বা. (মুহতামিম ও শাইখুল হাদিস, জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া), হযরতুল আল্লাম মাও. আব্দুর রাজ্জাক সাহেব দা. বা. (শাইখে সানী, জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া), হযরতুল আল্লাম মুফতী ইবরাহীম হাসান দা. বা., হযরতুল আল্লাম মুফতী রিজওয়ানুর রহমান দা. বা. (সিনিয়র মুদাররিস, জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া), হযরতুল আল্লাম মুফতী সাইদ আহমাদ দা.বা. (নায়িবে মুফতী , জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া ও খতীব, জাপান গার্ডেন সিটি জামে মসজিদ)।
এছাড়াও মজলিসে শূরার অধীনে পৃথক পরিচালনা কমিটি রয়েছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে মারকাযের প্রধান মুরব্বী ও মোহতামিম এর দায়িত্ব পালন করে আসছেন মুফতী ইবরাহীম হাসান সাহেব দা.বা.। খতীব, বায়তুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদ। সিনিয়র মুহাদ্দিস, জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া। হযরতের নায়েব হিসেবে মারকাযের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্বে আছেন মুফতী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।
হযরত মাওলানা মুফতী ইবরাহীম হাসান দা. বা.
মুফতী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর) – জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়া, ঢাকা
আত-তাখাসসুস ফি উলূমিল হাদিস, (হাদীসশাস্ত্রে উচ্চতর গবেষণা)
আত- তাখাসসুস ফি উলূমিত তাফসীর ( তাফসীরশাস্ত্রে উচ্চতর শিক্ষা)
আত- তাখাসসুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা (ফিকহ ও ফতোয়াশাস্ত্রে উচ্চতর শিক্ষা)
মারকাযুল উলূম আশ-শারইয়্যাহ এর নায়েবে মোহতামিম (ভাইস প্রিন্সিপাল) এর দায়িত্বে আছেন।
হাফেজ মাওলানা হুমায়ূন আহমেদ
মুফতী শফিকুল ইসলাম
মুফতী সাইদ আহমেদ
দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর) – জামি’আ কুরআনিয়া, লালবাগ।
আত- তাখাসসুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা (ফিকহ ও ফতোয়াশাস্ত্রে উচ্চতর গবেষণা সম্পাদন করেছেন সরাসরি মুফতী তাকি উসমানী হাফি. এর তত্ত্বাবধায়নে, দারুল উলূম করাচী, পাকিস্থান)
ফিকহুল মুয়ামালাতিল মালিয়্যাহ (ইসলামিক ফাইন্যান্স) বিশেষজ্ঞ। জামি’আ রাহমানিয়া আরাবিয়ার ফতোয়া বিভাগের প্রধান দায়িত্বশীল ও মুহাদ্দিস।
অত্র প্রতিষ্ঠানের আধুনিক লেনদেন বিষয়ক প্রশিক্ষক এবং সিনিয়র মুফতী।